দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

গরমে স্বস্তি পেতে এসি কিনতে চান অনেকেই। তবে মাস শেষে বিদ্যুৎ বিলের চিন্তায় পিছিয়ে যান কেউ কেউ। এসি কেনার আগে স্টার রেটিং, ইনভার্টার প্রযুক্তি ও বিদ্যুৎ ব্যবহারের দক্ষতা যাচাই করলে এই খরচ অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব।
ঢাকার মোহাম্মদপুরের বৈদ্যুতিক মিস্ত্রি রনি হোসেন বলেন, একই ক্ষমতার দুটি এসির বিদ্যুৎ খরচ এক নাও হতে পারে। বেশি স্টার রেটিংয়ের এসি সাধারণত তুলনামূলক কম বিদ্যুৎ ব্যবহার করতে পারে।
ঢাকার রিংরোড এলাকার হোলসেল ইলেকট্রনিক্স সিটির কর্ণধার ফয়সাল হোসেনের দেওয়া হিসাব অনুযায়ী, দেড় টনের একটি ফাইভ-স্টার এসি ঘণ্টায় আনুমানিক ০.৮ ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহার করলে প্রতিদিন আট ঘণ্টা চালিয়ে মাসে খরচ হতে পারে ১৯২ ইউনিট।
অন্যদিকে, একই ক্ষমতার থ্রি-স্টার এসি ঘণ্টায় ১.১ ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহার করলে মাসে খরচ দাঁড়াতে পারে ২৬৪ ইউনিট। অর্থাৎ, এই হিসাবে মাসে পার্থক্য প্রায় ৭২ ইউনিট।
তবে প্রকৃত বিদ্যুৎ খরচ নির্ভর করে এসির মডেল, ঘরের তাপমাত্রা, বাইরের আবহাওয়া ও ব্যবহারের ওপর। তাই কেনার আগে নির্দিষ্ট মডেলের বিদ্যুৎ ব্যবহারের তথ্য যাচাই করা জরুরি।
ইনভার্টার এসি ঘরের তাপমাত্রা অনুযায়ী কম্প্রেসরের গতি নিয়ন্ত্রণ করে। এতে অনেক ক্ষেত্রে বিদ্যুৎ সাশ্রয় হয়। তবে সব ইনভার্টার এসির দক্ষতা সমান নয়।
বিদ্যুৎ খরচ কমাতে এসির তাপমাত্রা ২৪ থেকে ২৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসে রাখা, দরজা-জানালা বন্ধ রাখা এবং নিয়মিত ফিল্টার পরিষ্কার করাও গুরুত্বপূর্ণ।
এসি কেনার সময় শুধু দাম নয়, স্টার রেটিং, বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের দক্ষতা, ঘরের আয়তনের সঙ্গে যন্ত্রের ক্ষমতার সামঞ্জস্য এবং বিক্রয়োত্তর সেবাও বিবেচনায় রাখা উচিত।
যে আই